মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা

৮নং এওজবালিয়া ইউনিয়নের সমস্যা  ইউনিয়নের সম্ভাবনা / ভবিষ্যত কর্মসূচিঃ

উন্নত জীবন ব্যবস্থা পরিচালনার জন্য চ্যালেঞ্জ হিসেবে এওজবালিয়া ইউনিয়নের জন-সাধারণের জন্য পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়। সুপেয় পাণীয় জলের অভাব, স্বাস্থ্য ও স্যানিটেশন, শিক্ষার অভাব, দারিদ্রতা, অনুন্নত যোগাযোগ, সেচ সুবিধার অভাব, বিদ্যুৎসমস্যা, মৎস্য ও পশু সম্পদের রোগ ব্যাধি ও প্রশিক্ষণের অভাব।  পার্শ্বে বর্ণিত সমস্যাসমূহ সমাধান হলে ইউনিয়নের দারিদ্রতা নিরসন হবে, শিক্ষার হার বাড়বে, স্বাস্থ্য সমস্যা দূর হবে, আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটবে, ফসলের উৎপাদন বাড়বে, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে, মৎস্য ও পশু সম্পদের উন্নয়ন বৃদ্ধি পাবে, সুপেয় পানির অভাব দূর হবে, নাগরিকগণ নিরক্ষরতার অভিশাপমুক্ত হবে।

যোগাযোগের জন্য পাকা সড়ক নির্মিত হলে ব্যবসা বাণিজ্যের সুযোগ হবে। খাল খনন ও কাঁচা     রাস্তাগুলি মেরামত ও সংস্কার জরুরী।     ভবিষ্যতে ইউনিয়নে ব্যবসা বাণিজ্য ও ক্ষুদ্র শিল্প স্থাপন করে উন্নয়ন করা সম্ভব হবে। কৃষি-অকৃষি জমি সেচের আওতায় এনে কৃষি বিপ্লব ঘটানো সম্ভব হবে।

দরিদ্র জনসাধারণ, ভূমিহীন কৃষক, অশিক্ষা, বেকারত্ব, বিদ্যুৎসংযোগ, স্যানিটেশন, কর্মসংস্থানের অভাব ইত্যাদি। এছাড়া বর্ষাকালে কাঁচা রাস্তায় চলাচলের অসুবিধা। ঘূর্ণিঝড় বন্যা ও খরার কারণে জানমাল পশু ও কৃষি কাজের সমস্যা সৃষ্টি হয়।   উল্লেখিত সমস্যাগুলি দূরীভূত করা গেলে ইউনিয়নটি একটি আদর্শ ইউনিয়নে পরিণত হবে।

অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎসরবরাহ, জলাবদ্ধতা, খাল খনন, স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা স্থাপন।      উৎপাদিত কৃষি পণ্যের সহজে বাজারজাতকরণ ও কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি। স্কুলগামী শিশুদের যাতায়াত সুগম হয়ে শিক্ষার হার ও মান বৃদ্ধি হবে। স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ ও দূষণমুক্ত সামাজিক অবস্থা সৃষ্টি হবে। বর্ষা মৌসুমে কৃষি বহির্ভূত ভূমি পরিকল্পিতভাবে মৎস্য চাষের আওতায় আনা। উন্নতজাতের গরু এবং গরু মোটাতাজাকরণ প্রকল্পের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন।

পানি নিষ্কাশন ও জলাবদ্ধতা। স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিনের অভাব। বিশুদ্ধ পানীয় জলের সুব্যবস্থা নাই, পর্যাপ্ত গভীর নলকূপ স্থাপন করা যায়নি। কুটির শিল্পের অভাব। কৃষিজাত পণ্যনির্ভর শিল্প স্থাপন সংক্রান্ত সমস্যা। কৃষিজ পন্য সংরক্ষণ ব্যবস্থার অভাব।    ইউনিয়নজুড়ে অবস্থিত কুমারখালী খালসহ অন্যান্য খাল সংস্কার, স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিন প্রস্তুত করে অস্বচ্ছল পরিবারগুলোকে বিতরণ, গভীর ও অগভীর নলকূপ স্থাপন করে বিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থা করা, কৃষি পন্য নির্ভর শিল্প স্থাপন, কৃষিজ পণ্য ও বীজ সংরক্ষণে হিমাগার স্থাপন, বিভিন্ন জনবহুল এলাকায় টয়লেট নির্মাণ।

 

ছবি


সংযুক্তি



Share with :

Facebook Twitter