মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

প্রখ্যাতব্যক্তিত্ব

আবদুল মালেক উকিল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি, সংসদের স্পিকার, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ছিলেন। উইকিপিডিয়া
জন্ম: 1 অক্টোবর, 1 9 24, বাংলাদেশ
মৃত্যু: 17 ই অক্টোবর, 1987 শেরেবাংলা নগর
শিক্ষা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
দল: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ

নোয়াখালী জেলার কৃতি সন্তান বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, বিজ্ঞ আইনজীবী মরহুম আবদুল মালেক উকিল নোয়াখালী জেলার সুধারাম থানার রাজাপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মরহুম মাওলানা মোহাম্মদ মুন্সী চান্দ মিয়া ও মায়ের নাম মরহুমা নুরুননেছা।
১৯৪৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্র বিজ্ঞানে বিএ ও এম এ ডিগ্রী লাভ করেন এবং ১৯৫২ সালে এল এল বি ডিগ্রী লাভ করেন। কর্ম জীবনের শুরুতেই তিনি ১৯৫২ সালে নোয়াখালী বারে আইনজীবী হিসেবে যোগদান করেন এবং পরে ১৯৬৪ সালে ঢাকা হাইকোর্টে যোগ দেন। তিনি ১৯৪৬ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পক্ষে বাংলা, বিহার ও আসামে প্রচারকার্যে অংশ নেন। তিনি মহান ভাষা আন্দোলনের সাথে ছিলেন ঘনিষ্ঠ। আন্দোলনের কারণে তাঁকে ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ এবং ১৯৫২ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি কারা জীবন যাপন করতে হয়। তিনি ১৯৫৩ সালে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। ১৯৫৬ সালে তৎকালীন প্রাদেশিক পরিষদের নোয়াখালী উপ-নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসেবে গণপরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৬২ সালে পূনরায় প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়ে সর্বসম্মতিত্রুমে গণপরিষদে আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত হন। ১৯৬৫ সালে তৃতীয়বারের মত প্রাদেশিক পরিষদে নির্বাচিত হন। পকিস্তানের লাহোর শহরে গুলবার্গে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক নিখিল পাকিস্তান জাতীয় সম্মেলনে জনাব মালেক উকিল সভাপতিত্ব করেন। উক্ত সম্মেলনেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান বাংলার মানুষের মুক্তির সনদ ঐতিহাসিক ৬ দফা কর্মসূচি প্রথম উপস্থাপন করেন। ১৯৭০ এর নির্বাচনে তিনি পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।
১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে মরহুম আবদুল মালেক উকিল সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত সৃষ্টির জন্য আওয়ামী সংসদীয় দলের প্রতিনিধি হিসেবে বিশ্বের অনেক দেশ সফর করেন। স্বাধীন বাংলাদেশে জনাব মালেক উকিল ১৯৭৩ ও ১৯৮৬ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত সদস্য হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। স্বাধীন দেশের প্রথম মন্ত্রীসভায় তিনি স্বাস্থ্য্ ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রী,স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীএবং পরবর্তীতে জাতীয় সংসদের স্পীকারের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৫ সালের পর আওয়ামী লীগের দুর্দিনে তিনি দলের কান্ডারী হয়ে দলকে সুগঠিত করেন এবং ১৯৭৮ সালে তিনি দলের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৮৭ সালের ১৮ অক্টোবর তিনি ইন্তেকাল করেন।
 

ছবি


সংযুক্তি



Share with :

Facebook Twitter